The Migrant Voice
+880 1768 495454
বাংলাদেশ

দীর্ঘ ১৩ বছরের পুরনো অভিবাসন-সংক্রান্ত বিরোধ ফিল্মস ফর পিস ফাউন্ডেশনের মধ্যস্থতায় সমাধান

দীর্ঘ ১৩ বছরের পুরনো অভিবাসন-সংক্রান্ত বিরোধ ফিল্মস ফর পিস ফাউন্ডেশনের মধ্যস্থতায় সমাধান

অনলাইন ডেস্ক, বাংলাদেশ - Monday, October 6, 2025 19


দীর্ঘ ১৩ বছরের পুরনো  অভিবাসন-সংক্রান্ত বিরোধ ফিল্মস ফর পিস ফাউন্ডেশনের মধ্যস্থতায় সমাধান
বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মোট ১১ জন

২৫ সেপ্টেম্বর ২০২৫ খ্রিষ্টাব্দ, বিকাল ৩টায় কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার ফিল্মস ফর পিস ফাউন্ডেশনের পিস সেন্টারে সালিশ বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন মোট ১১ জন—যাদের মধ্যে ছিলেন জিএমসি’র ২ জন প্রতিনিধি, স্থানীয় ৩ জন সালিশকারক, বাদী পক্ষের ১ জন, বিবাদী পক্ষের ৩ জন এবং ফিল্মস ফর পিস ফাউন্ডেশনের ২ জন প্রতিনিধি।
এই সালিশ বৈঠকের মূল বিষয় ছিল একটি পুরনো অভিবাসন-সংক্রান্ত প্রতারণা মামলা।
ঘটনাটি শুরু হয় ২০১৩ সালে। বিবাদী রুহুল আমিন মনির, বাদী গিয়াস উদ্দিনের কাছ থেকে মালয়েশিয়ার ভিসা প্রদানের প্রতিশ্রুতি দিয়ে ২,৮০,০০০/- (দুই লক্ষ আশি হাজার টাকা) গ্রহণ করেন। দীর্ঘ সময় পেরিয়ে গেলেও ভিসা না দেওয়া এবং অর্থ ফেরত না দেওয়ায় বাদী প্রতারণার অভিযোগ দাখিল করেন।
ফিল্মস ফর পিস ফাউন্ডেশন বিষয়টি হাতে নিয়ে সালিশে বসার আহ্বান জানায়। নিরাপত্তাজনিত কারণে বিবাদী নিজে উপস্থিত হতে না পারলেও, তাঁর স্ত্রী হাসবিন জান্নাত নিলু স্বামীর পক্ষে সালিশে উপস্থিত হন।
বৈঠকে বিবাদীর স্ত্রী স্বীকার করেন যে তাঁর স্বামী সত্যিই বাদীর কাছ থেকে টাকা নিয়েছিলেন এবং ভিসা দিতে ব্যর্থ হন। তিনি আরও জানান, এ ব্যর্থতার সম্পূর্ণ দায় তাঁর স্বামীর। তাই তিনি অর্থ ফেরত দিতে আগ্রহী হলেও বাদীর কাছে কিছুটা ছাড় দেওয়ার আবেদন জানান। কিন্তু বাদী ছাড় দিতে অস্বীকৃতি জানান।
বৈঠকে উভয় পক্ষ স্বীকার করেন যে, পূর্বে আংশিক টাকা ফেরত দেওয়া হয়েছিল—
ফলে বাদীর বাকি পাওনা দাঁড়ায় ২,২৮,০০০/- টাকা। তবে বিবাদীর পক্ষ দাবি করে, ২০১৩ সালে টাকা গ্রহণের সময় বাদী ৩০,000/- টাকা কম দিয়েছিলেন। যেহেতু বাদীর পিতা (যিনি সাক্ষী ছিলেন) বর্তমানে জীবিত নেই, তাই বিষয়টি যাচাইপূর্বক পরবর্তীতে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ব্যাপারে উভয় পক্ষ সম্মত হন।
সালিশকারকগণ আলোচনার মাধ্যমে বাদীর প্রাপ্য অর্থ নির্ধারণ করেন ২,০০,000/- (দুই লক্ষ টাকা)।
সেই মুহূর্তে, বিবাদীর স্ত্রী হাসবিন জান্নাত নিলু সকলের সামনে তাৎক্ষণিকভাবে ১,০০,000/- (এক লক্ষ টাকা) সাহাব উদ্দিনের হাতে পরিশোধ করেন।
অবশিষ্ট ১,০০,000/- (এক লক্ষ টাকা) তিন কিস্তিতে প্রদানের সিদ্ধান্ত হয়
উভয় পক্ষ এই সিদ্ধান্তে সম্মত হন এবং সালিশকারকদের কাছে প্রতিশ্রুতি দেন যে নির্ধারিত সময় অনুযায়ী টাকা পরিশোধ করা হবে।
এই কার্যক্রমটি Foreign, Commonwealth & Development Office (FCDO) এবং The Asia Foundation-এর যৌথ উদ্যোগে বাস্তবায়িত "Promoting Effective, Responsive, and Inclusive Governance in Bangladesh (PERI)" প্রকল্পের অধীনে “Building a Fair and Just Migration System” কর্মসূচির অংশ হিসেবে পরিচালিত হচ্ছে।

Download PDF


0 মন্তব্য সাইন-ইন
User Profile
Recent Comments (0)